পলাশবাড়ীতে সাংবাদিক আশরাফুলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ

আশরাফুজ্জামান সরকার, পলাশবাড়ী প্রতিনিধিঃ মৃত্যু পরবর্তী জীবন যার দান করা রাষ্ট্রের জন্য তিনিই আজ হয়েছেন প্রশ্নবিদ্ধ ৷ সময়ের সাহসী কলম সৈনিক, কাফনের কাপড় পরিধান করে সারা দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ৭১ দিন দূর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করা রিপোর্টাস ইউনিটি পলাশবাড়ীর সভাপতি সাংবাদিক আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, অপপ্রচারসহ গভীর ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা হয়রানীমুলক চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছে একটি কুচক্রি মহল ৷

এরই প্রতিবাদে পলাশবাড়ী প্রেসক্লাব ও রিপোর্টার্স ইউনিটি পলাশবাড়ীর যৌথ আয়োজনে ৪ জুন শনিবার দুপুরে স্থানীয় চৌমাথা মোড়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পলাশবাড়ী প্রেসক্লাব সভাপতি রবিউল হোসেন পাতার সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম রতন, সহ-সভাপতি মুশফিকুর রহমান মিল্টন, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুর রহমান স্বপন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম,

সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মিলন মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম, পলাশবাড়ী প্রেসক্লাব সদস্য আমিরুল ইসলাম কবিরসহ অন্যান্যরা। এসময় পলাশবাড়ী প্রেসক্লাব ও রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্যে আশরাফুল ইসলাম বলেন, সকল শ্রেণী-পেশার মানুষদের অনিয়ম-দূর্নীতি নিয়ে সমাজের বা রাষ্ট্রের প্রতি জবাবদিহিতা নাগরিক হিসেবে সাংবাদিকদের প্রতি বর্তায় ৷ মানুষ যখন অসহায় হয়ে যায় তখন থানা পুলিশ নয়তো সাংবাদিকের কাছেই আসে ৷

সংবাদ ও তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে যদি সমাজের উঁচু ক্ষমতাবান শ্রেণীর মানুষদের আঁতে- ঘাঁ লাগে তাহলেই সাংবাদিকরা হয়ে যায় চাঁদাবাজ ৷ পরিকল্পিতভাবে তাদের জবান বন্ধ বা আটকানো হয় আইনের মারপ্যাঁচে ফেলে ৷ এভাবে চলতে থাকলে তো গণমাধ্যমে কেউ কাজ করতে চাইবে না আর এ পেশা একসময় চলে যাবে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ৷ আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ পেশার কড়া নিরাপত্তা চাই ৷ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা সাংবাদিক আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবী জানান।